1. admin@alokitodesh.com : admin :
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় গ্রাহকদের দুইকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাতমানববন্ধন - alokitodesh
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম:
সকাল-সন্ধ্যা যে আমলে দিন বরকতময় ও জীবন থাকবে নিরাপদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার ফিরলো জোবাইক, পরীক্ষামূলকভাবে চালু জবি আইইআরে শিক্ষক সংকট: সেশনজটে ৩০০ শিক্ষার্থী মনোহরদীতে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি: সভাপতি মোস্তফা, সম্পাদক ইসমাইল ‘পশুত্ব নয়, মানবিকতাই হোক পুলিশিংয়ের মূল শক্তি’ নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহারে উৎসাহ কারিতাসের জকসুর উদ্যোগে এআই ফর ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট চালু রংপুরে চলন্ত মিনিবাসের চাকা ব্লাস্ট, নিহত এক, আহত অন্তত ৩০ বাঞ্ছারামপুরে ডিইএব এর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন অবৈধভাবে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় গ্রাহকদের দুইকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাতমানববন্ধন

  • আপডেট : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ৫৩ জন দেখেছেন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে গ্রাহকের দুইকোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা হওয়া আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের গ্রেফতার এবং টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বেলা ১১টায় কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ওই প্রতিষ্ঠানে টাকা রেখে প্রতারিত হওয়া প্রায় শতাধিক গ্রাহক এ অভিযোগ করেন।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন,অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক, জাহানারা খাতুন, আব্দুস সাত্তার, সাবিনা খাতুন প্রমুখ।
বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে ২০১২ সাল থেকে কলারোয়া থেকে ১৩৬ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় দুইকোটি ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক সবুজ। ২০১৩ সাল থেকে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও গ্রাহকদের একটি টাকাও ফেরত না দিয়ে চম্পট দেয় প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে ছোটাছুটি করেও কোন টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী জাহানারা খাতুন বলেন, মেয়ের বিয়ের জন্য তীল তীল করে ৪লক্ষ টাকা জমিয়েছিলাম। সে সময় প্রতারক ওমর ফারুক সবুজ অন্যান্য কর্মকর্তাদের প্রলোভনে পড়ে সমুদয় টাকা আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টের প্রতিষ্ঠানে জমা রেখেছিলাম। কিন্তু ওই প্রতারক প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিনেও টাকাগুলো ফেরত দেয়নি।
হোটেলের কর্মচারী স্বামী বিধবা সাবিনা খাতুন বলেন, হোটেল শ্রমিকের কাজ করে জমানো ৬৩ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে ওই প্রতারক প্রতিষ্ঠান। আমি পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি। অসুস্থ্য হওয়ার পরেও ঔষধ কিনে খেতে পারি না। আমি আমার টাকা ফেরত চাই। সাথে সাথে ওই প্রতারকদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত ওমর ফারুক সবুজের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ওই টাকা হেড অফিসে জমা হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি চালু আছে না বন্ধ হয়ে গেছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন জমি ক্রয় করতে গিয়ে বন্ধ করে দিয়েছি। তবে এটার দায় স্থানীয় কর্মচারী আবু সাঈদ সবুজের।
তবে আবু সাঈদ সবুজ বলেন গ্রাহক টাকা পাবে। কিন্তু পাওনা টাকার অংকটা কম। এত টাকা হওয়ার সুযোগ নেই। গ্রাহক পাবে ২৬ লক্ষ টাকা। ইতোমধ্যে কিছু টাকা পরিশোধও করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া আমি তো কর্মচারী ছিলাম মাত্র।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 alokitodesh.com
আইটি সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
Copyright © 2025 | alokitodesh.com | All Rights Reserved.