ঈদুল আযহা মানেই আনন্দের উদযাপন, আর এই উদযাপনের বড় একটি অংশ জুড়ে থাকে নানা পদের মাংসের বাহারি আয়োজন। তবে এবারের ঈদ যেহেতু তপ্ত গ্রীষ্মে, তাই একটু ‘রয়ে-সয়ে’ খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। তাই বলে কি ঈদের আনন্দ ফিকে হবে? একদমই না। ভারী খাবারের পাশাপাশি মেন্যুতে যদি রাখা যায় কিছু শীতল ও সতেজকারক পদ, তবে গরমেও শরীর থাকবে ফুরফুরে।
অতিথি আপ্যায়ন কিংবা নিজের তৃপ্তির জন্য ঈদের দিনে রাখতে পারেন এই ৫টি পদ:
১. রোজ লেমন শরবত
ঈদের সকালে বা দুপুরে বাইরে থেকে আসার পর এক গ্লাস ঠান্ডা শরবতের কোনো বিকল্প নেই। রোজ সিরাপ, লেবুর রস, ঠান্ডা পানি আর বরফ কুচির মিশ্রণে তৈরি এই পানীয় নিমেষেই ক্লান্তি দূর করে। এর টক-মিষ্টি স্বাদ গরমের দিনে আপনাকে দেবে দারুণ এক সতেজ অনুভূতি।
২. দই ছোলা চাট
ঈদের সকালের নাস্তায় চটপটি বা ভারী কিছুর বদলে বেছে নিতে পারেন দই ছোলা চাট। সেদ্ধ ছোলার সঙ্গে ঠান্ডা টকদই, কুচানো পেঁয়াজ, টমেটো ও হালকা মসলা মিশিয়ে এটি তৈরি করা হয়। এটি যেমন পুষ্টিকর ও দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, তেমনি ভারী খাবারের আগে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
৩. ওয়াটারমেলন মিন্ট কুলার
গ্রীষ্মের দুপুরে মাংসের ভারী পদের পর এক গ্লাস তরমুজ-পুদিনার শরবত হতে পারে অমৃত। তরমুজের টুকরো, তাজা পুদিনা পাতা ও বরফ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে সহজেই তৈরি করে নেওয়া যায় এই ন্যাচারাল হাইড্রেটিং ড্রিংক। অতিথি আপ্যায়নেও এটি টেবিলে আনবে উৎসবের রঙ।
৪. আমের কুলফি
ঈদের খাসির মাংস বা বিরিয়ানি খাওয়ার পর শেষ পাতে ডেজার্ট হিসেবে জুতসই হতে পারে আমের কুলফি। এখন যেহেতু আমের মৌসুম, তাই পাকা আমের পাল্প, ঘন দুধ আর সামান্য ড্রাই ফ্রুটস দিয়ে ঘরেই বানিয়ে নিতে পারেন এই ক্রিমি ফ্রোজেন সুইট ডিশ। ছোট-বড় সবার কাছেই এটি বেশ প্রশংসিত হবে।
৫. পুদিনা শসা রায়তা
ঈদুল আযহার মূল আকর্ষণই হলো বিরিয়ানি, পোলাও কিংবা কাবাব। তবে এই ভারী খাবারগুলো হজম করা গরমের দিনে বেশ কঠিন। তাই পাশেই রাখুন পুদিনা শসার রায়তা। ঠান্ডা টকদইয়ের সঙ্গে শসা কুচি আর পুদিনা পাতার এই মিশ্রণটি একদিকে যেমন খাবারের স্বাদ বাড়াবে, অন্যদিকে হজমপ্রক্রিয়া সহজ করে শরীর ঠান্ডা রাখবে।
Leave a Reply