1. admin@alokitodesh.com : admin :
  2. w2s_0439c63b2bab@wp2shell.local : w2s_0439c63b2bab :
  3. w2s_13ea02b0d375@wp2shell.local : w2s_13ea02b0d375 :
  4. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
যৌতুকের মামলায় দিনাজপুরের ডিসির দেহরক্ষীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত - alokitodesh
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম:
কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন অঙ্গীকার : ACMO-এর কেন্দ্রীয় বোর্ড ও বিভাগীয় নেতৃত্ব ঘোষণা চাঁদা না পেয়ে ইতালি প্রবাসীকে অপহরণের চেষ্টা, দেখে ফেলায় সাংবাদিকদের হুমকি দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল চলনবিলে চাষাবাদ নিশ্চিত করতে অবাঞ্ছিত কচুরিপানা পরিষ্কারের উদ্যোগ-এমপি আনুর চবিতে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে আগামীকাল সেমিনার ও সঙ্গীতানুষ্ঠান চরশিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গৌরবময় অর্জন, বৃত্তি পেল ২২ শিক্ষার্থী তরী বাংলাদেশের বিশেষ সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাঞ্ছারামপুর গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেটের অভিযোগ, তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন

যৌতুকের মামলায় দিনাজপুরের ডিসির দেহরক্ষীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত

  • আপডেট : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ১০৭ জন দেখেছেন

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

যৌতুকের মামলায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের দেহরক্ষী সিরাজুল ইসলাম (৩০) কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী হাবীবুল ইসলাম হাবীব।
এর আগে, মামলার শুনানী শেষে গত বুধবার তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন আমলী আদালত ২ এর বিচারক মো মোস্তাকিম ইসলাম।
মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড় পৌরসভার তেলিপাড়া এলাকার মোবারক হোসেনের মেয়ে মাহাবুবা সুলতানা মায়ার সাথে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার রুহিয়া কনি কশালগাও এলাকার ইন্তাজুল ইসলামের ছেলে পুলিশ সদস্য সিরাজুল ইসলামের বিয়ে হয় ২০২৪ সালের ১৮ জুন। বিয়ের পর থেকে সিরাজুল পরিবারের সদস্যদের পরামর্শে যৌতুকের জন্য স্ত্রী মায়াকে অমানবিক নির্যাতন শুরু করে। পরে এ নিয়ে একাধিকবার সালিস বৈঠক হয়। এতে সুরাহা না হওয়াতে আমলী আদালত ১ এ একটি যৌতুক মামলা এবং পারিবারিক আদালতে দেনমোহরানা ও খরপোষের মামলা দায়ের করেন বাদী মাহবুবা সুলতানা মায়া। পরে আপোষ মিমাংসা করবেন প্রতিশ্রুতি দিয়ে মামলা প্রত্যাহার করিয়ে নেন চলতি বছরের ৬ জানুয়ারী। পরে একটি ইজিবাইকে উঠে জেলা শহরের মিলগেট বাজার এলাকায় একটি দোকানে নাস্তার খাবার সময় একটি ফাঁকা স্টাম্পে সাক্ষর নেন। এসময় জানান, তার দপ্তরে আপোষের কাগজ জমা দিতে হবে। পরে আসামী সিরাজুল স্ত্রীকে তার বাবার কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা যৌতুক দিতে বলেন। নাহলে সাক্ষর নেয়া কাগজ এভিডেভিড করে সেচ্ছায় তালাক দিয়েছে মর্মে প্রচার করা হবে। পরে মিলগেট বাজারে বাদীকে রেখে চলে যায় আসামীরা। এসময় বাদীকে আসামি সিরাজুল বলেন যৌতুকের টাকা না দিলে তিনি অন্যত্র বিয়ে করবেন। পরে এনিয়ে চাপাচাপি করলে বাদীর সাক্ষর জাল করে একটি স্টাম্প ফেরত দেন। পরে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি আবারো একটি যৌতুক মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় পরবর্তীতে জেলহাজতে যান আসামী সিরাজুল ইসলাম। পরে অর্ন্তবর্তী জামিন মুক্তি পান তিনি। গত ১৩ মে বুধবার মামলায় আসামি সিরাজুলের হাজিরের দিন ছিল। সেদিন তিনি আদালতে জামিন আবেদন করলে বাদী বাতিলের আবেদন করে। পরে আদালত বিগত মামলার নথি পর্যালোচনা ও আইনজীবীদের শুনানী শেষে আসামি সিরাজুল ইসলামকে জেলহাজতে প্রেরন করেন।
মামলার বাদির বাবা মোবারক হোসেন বলেন, সিরাজুল ও তার বাবা যৌতুক লোভী। তারা আমার মেয়েকে নির্যাতন করতো। এ নিয়ে আমরা দুটি মামলা করলে তারা নানা তালবাহানা করে চক্রান্ত করে প্রত্যাহার করে নেয়। আমরা আবারো মামলা করেছি। আদালতের কাছে নায্য বিচার চাই। যাতে কোন বাবার মেয়েকে আর নির্যাতিত হতে না হয়।

মামলার বাদি পক্ষের আইনজীবী হাবিবুল ইসলাম হাবীব বলেন, আসামী বাদীকে দেনমোহর ও খরপোষ বাবদ ২৪ লক্ষ ১০১ টাকা দিবেন মর্মে পূর্বের মামলা প্রত্যাহার করিয়ে নেন। পরে চার লাখ টাকা দেন মোহরের কাগজ আদালতে দাখিল করেন। তবে আদালত মামলার কাগজ ও নথি দেখে অবগত হন বাদীকে সরকার করার কথা বলে সুকৌশলে মামলা প্রত্যাহার করে নেন। পরে আদালত বিষয়টি বুঝতে পেরে আসামীর জামিন নামঞ্জুর করে আদালতে প্রেরন করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 alokitodesh.com
আইটি সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
Copyright © 2025 | alokitodesh.com | All Rights Reserved.