1. admin@alokitodesh.com : admin :
ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে মুখর ভূরুঙ্গামারীর শেষ পশুর হাট - alokitodesh
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে মুখর ভূরুঙ্গামারীর শেষ পশুর হাট

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ৯ জন দেখেছেন

এফ কে আশিক, ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শেষ মুহূর্তের পশুর হাটে বেড়েছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকেই উপজেলার একমাত্র পশুর হাটে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা খামারি, পাইকার ও প্রান্তিক কৃষকদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে ওঠে পুরো হাট। তবে মানুষের উপস্থিতি থাকলেও বেচাকেনা প্রত্যাশা অনুযায়ী হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, হাটজুড়ে দেশি জাতের গরুর আধিক্য। বড় আকারের গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত। আর ছোট আকারের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা।

কোরবানির পশু কিনতে উপজেলার বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকেও ক্রেতারা এসেছেন। কেউ এককভাবে, আবার কেউ সম্মিলিতভাবে গরু কিনতে হাটে ঘুরে দেখছেন। তবে বিক্রেতাদের ভাষ্য, ক্রেতারা দাম শুনে ঘুরে গেলেও চূড়ান্ত কেনাবেচা তুলনামূলক কম হচ্ছে।

হাটে গরু বিক্রি করতে আসা কুরবান আলী বলেন, হাটে মানুষ অনেক, কিন্তু বিক্রি কম। সবাই গরু দেখে আর দাম শুনে চলে যায়। তিনি তাঁর দেশি জাতের একটি গরুর দাম হাঁকছেন এক লাখ টাকা।

ব্যবসায়ী হানিফ বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রি কিছুটা কম। হাটে গরু প্রচুর, ক্রেতাও আছে; কিন্তু কেনাবেচা তেমন হচ্ছে না।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি মনে করছেন অনেক ক্রেতা। তবে কেউ কেউ বলছেন, চাহিদা অনুযায়ী দাম সহনীয় পর্যায়েই রয়েছে। বিশেষ করে মাঝারি আকারের দেশি গরুর চাহিদা বেশি দেখা গেছে।

গরু কিনতে আসা শিক্ষক রিয়াজুল ইসলাম বলেন, বাড়িতে গরু রাখার জায়গা না থাকায় শেষ হাটে গরু কিনতে এসেছি। শেষ হাটে সাধারণত দামও কিছুটা কম পাওয়া যায়।

হাট ইজারাদারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের আগে এটিই শেষ পশুর হাট। মানুষের ভিড় থাকলেও বেচাকেনা পুরোপুরি সন্তোষজনক নয়। তবে ভারতীয় গরু না থাকায় স্থানীয় খামারি ও প্রান্তিক কৃষকেরা লাভবান হয়েছেন। হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ, জাল নোট শনাক্তকারী টিম ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের মেডিকেল টিম কাজ করছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আশিকুজ্জামান বলেন, এ বছর ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর চাহিদা ২৮ হাজার ৫২৩টি। এর বিপরীতে প্রাপ্যতা রয়েছে ৩৩ হাজার ৯৮৬টি। ফলে চাহিদার তুলনায় পশু উদ্বৃত্ত আছে। হাটে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে। পাশাপাশি অসুস্থ পশু যাতে হাটে না ওঠে, সেদিকেও নজরদারি করা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 alokitodesh.com
আইটি সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
Copyright © 2025 | alokitodesh.com | All Rights Reserved.