1. admin@alokitodesh.com : admin :
মাস্ক পরে বিশ্ব রেকর্ড গড়া পিরোজপুরের সিফাতকে ইউএনও’র সংবর্ধনা - alokitodesh
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

মাস্ক পরে বিশ্ব রেকর্ড গড়া পিরোজপুরের সিফাতকে ইউএনও’র সংবর্ধনা

  • আপডেট : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ৪৯ জন দেখেছেন

পিরোজপুর প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধানীসাফা ইউনিয়নের ফুলজুড়ী গ্রামের তরুণ সিফাত আকন (১৮) চোখ বাঁধা অবস্থায় দ্রুততম সময়ে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে আলোচনায় এসেছেন। তিনি মাত্র ১০ দশমিক ৩২ সেকেন্ডে ১০টি মাস্ক পরে Guinness World Records-এ নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হন।

এই সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর আজ সোমবার (৪ মে) সকালে তাকে উপজেলা কার্যালয়ে ডেকে এই অসাধারণ অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার সংবর্ধনা দেন।
এসময় তিনি সিফাতের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তার বিশ্ব রেকর্ডের বিস্তারিত শোনেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও নতুন রেকর্ড গড়ার জন্য তাকে উৎসাহ প্রদান করেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি জসীম উদ্দীন ফরাজী এবং সিফাতের পরিবারের সদস্যরা।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সিফাত এই রেকর্ডের জন্য আবেদন করেন এবং গত ২৮ এপ্রিল Guinness World Records কর্তৃপক্ষ তার এই অর্জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।

সিফাত আকন জানান, প্রায় চার বছর আগে একটি পত্রিকায় Guinness World Records-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সেখান থেকেই কৌতূহল জন্ম নেয় এবং তিনি বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেন। জানতে পারেন, বাংলাদেশ থেকেও অনেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন—যা তাকে অনুপ্রাণিত করে।

তিনি আরও বলেন, করোনাকালে মাস্ক ব্যবহারের বিষয়টি মাথায় আসে এবং তখনই মাস্ক পরে রেকর্ড গড়ার পরিকল্পনা করেন। এর আগে একজন ভারতীয় ১১ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডে এই রেকর্ড করেছিলেন। সেই রেকর্ড ভাঙার লক্ষ্য নিয়েই তিনি প্রস্তুতি শুরু করেন।
তবে শুরুতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার অভাব ছিল বলে জানান সিফাত। Guinness World Records-এর প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে তিনি ফেসবুক ও ইউটিউবে খোঁজ করেন, এমনকি আগের রেকর্ডধারীদের ই-মেইল করেও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেন। কিন্তু পর্যাপ্ত গাইডলাইন না পাওয়ায় তাকে অনেকটা নিজ উদ্যোগেই এগোতে হয়েছে।

সিফাতের ভাষায়, “সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল সঠিক তথ্যের অভাব। পুরো প্রক্রিয়াটি অনেক দীর্ঘ—সবকিছু মিলিয়ে প্রায় ৯ মাস সময় লেগেছে।”
তার এই সাফল্যে এলাকাজুড়ে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে এবং তরুণদের জন্য তিনি হয়ে উঠেছেন এক অনুপ্রেরণার নাম।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 alokitodesh.com
আইটি সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
Copyright © 2025 | alokitodesh.com | All Rights Reserved.