1. admin@alokitodesh.com : admin :
ইবোলায় কাবু কঙ্গো, ৮০ জনের মৃত্যু - alokitodesh
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন

ইবোলায় কাবু কঙ্গো, ৮০ জনের মৃত্যু

  • আপডেট : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ১৬ জন দেখেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  :
মধ্য আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে নতুন করে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় আফ্রিকার শীর্ষ জনস্বাস্থ্য সংস্থা আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে ইবোলা প্রাদুর্ভাব হিসেবে ঘোষণা করেছে। এটি দেশটিতে ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব। সংস্থাটির তথ্যানুযায়ী, সর্বশেষ প্রাদুর্ভাবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অন্তত ২৪৬ জন আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছে ৮০ জন। আক্রান্তদের বেশিরভাগই স্বর্ণখনি অধ্যুষিত মংগওয়ালু ও রামপারা শহরের বাসিন্দা। উগান্ডায়ও সংক্রমণ শনাক্ত- প্রতিবেশী উগান্ডায় ইবোলা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

শুক্রবার একটি আমদানিকৃত ইবোলা সংক্রমণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৫৯ বছর বয়সী কঙ্গোর এক নাগরিক বৃহস্পতিবার রাজধানী কাম্পালার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরে পরীক্ষায় তার শরীরে ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়। তিনি সম্প্রতি কঙ্গো সফর করেছেন। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে সংক্রমণের কোনও ঘটনা শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে উগান্ডা।

কঙ্গোতে ১৯৭৬ সালে প্রথম ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়। ধারণা করা হয়, বাদুড়ের মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসটি মূলত আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল পদার্থের সংস্পর্শে বা ক্ষতস্থানের মাধ্যমে ছড়ায়। এতে তীব্র রক্তক্ষরণ, অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া এবং মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে- জ্বর, পেশিতে ব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও গলাব্যথা। পরে বমি, ডায়রিয়া, চামড়ায় ফুসকুড়ি এবং রক্তক্ষরণ দেখা দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, ইবোলার গড় মৃত্যুহার প্রায় ৫০ শতাংশ। এখনও এই রোগের নিশ্চিত কোনও চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়নি। ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা- কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসাভিত্তিক ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর বায়োমেডিকেল রিসার্চে প্রাথমিক পরীক্ষায় ২০টি নমুনার মধ্যে ১৩টিতে ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ব

র্তমানে ভাইরাসটির ধরন শনাক্তে আরও পরীক্ষা চলছে। আফ্রিকা সিডিসি জানিয়েছে, ৮০ মৃত্যুর মধ্যে চারটি পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া রোগীর মৃত্যু। ইতুরি প্রদেশের রাজধানী বুনিয়াতেও সন্দেহভাজন সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। তবে সেগুলোর পরীক্ষাগার নিশ্চিতকরণ এখনও বাকি রয়েছে। আফ্রিকা সিডিসি আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, খনি কার্যক্রম, জনবহুল নগর এলাকা এবং সীমান্তবর্তী মানুষের চলাচলের কারণে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ডা. জ্যাঁ কাসেয়া বলেন, আক্রান্ত অঞ্চলগুলোর সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর মানুষের নিয়মিত যাতায়াত থাকায় আঞ্চলিক সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 alokitodesh.com
আইটি সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
Copyright © 2025 | alokitodesh.com | All Rights Reserved.