এডি ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরে ক্রমবর্ধমান যানজটে জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। বর্তমান বাস্তবতায় শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যানজট চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে কোর্ট রোড ও মসজিদ রোড এলাকায় যানচলাচল নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি বাড়ছে প্রতিনিয়ত।
এছাড়া শহরের এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আধুনিক গণশৌচাগারের অভাব দীর্ঘদিনের। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শৌচাগার সংকটে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।
এ পরিস্থিতিতে যানজট নিরসন ও শৌচাগার সংকট সমাধানে তরী বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত আবেদন করেছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, পৌর শহরের সদর মডেল থানার পূর্ব সীমানা ঘেঁষে টাউনখাল থেকে মসজিদ রোড পর্যন্ত কমপক্ষে ১৫ ফুট চওড়া একটি সরকারি খাল ছিল, যা পরবর্তীতে ড্রেনে রূপান্তরিত হয়েছে। এ অংশে আরও কিছু সরকারি পতিত জমি রয়েছে। উল্লিখিত জায়গাগুলো দখলমুক্ত করা গেলে ড্রেন ও সড়কের পাশাপাশি ভেতরে থাকা সরকারি খাস জমিতে একটি আধুনিক ওয়াশ ব্লক (গণশৌচাগার) নির্মাণ করা সম্ভব। এতে করে নাগরিকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে।
জনস্বার্থ বিবেচনায় পৌর প্রশাসক জনাব মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিয়ে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
পৌর প্রশাসকের কাছে দেওয়া এ আবেদনের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর কাছেও প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আবেদনকারী সংগঠনের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ বলেন,
“পরপর পাঁচজন জেলা প্রশাসক ও পৌরসভার সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। ২০২৩ সালের শেষ দিকে তৎকালীন জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সদর উপজেলার তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মো. মোশারফ হোসেন জায়গাটি পরিদর্শন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বদলি ও অন্যান্য কারণে এ বিষয়ে কার্যক্রমের অগ্রগতি হয়নি। আমরা আশা করি, নতুন করে দেওয়া এই আবেদনটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে জনস্বার্থে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
Leave a Reply