আইন আদালত ডেস্ক :
বাংলাদেশে অবৈধভাবে পণ্য মজুতের শাস্তি অপরাধের ধরন এবং গুরুত্বের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। প্রচলিত আইন অনুযায়ী এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড পর্যন্ত হতে পারে। প্রধান আইনগুলোর অধীনে শাস্তির বিধান নিচে দেওয়া হলো: বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪: এই আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি মজুতদারি বা কালোবাজারির অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে তিনি মৃত্যুদন্ড, যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হতে পারেন।
খাদ্যদ্রব্য আইন, ২০২৩: ‘খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩’ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি লাভের আশায় সরকার নির্ধারিত পরিমাণের বেশি খাদ্যদ্রব্য মজুত করলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং অর্থদন্ডে দন্ডিত করা যেতে পারে।
ছাড় বা ব্যতিক্রম: যদি কেউ প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি কোনো ব্যবসায়িক লাভ বা আর্থিক উদ্দেশ্য ছাড়া পণ্য মজুত করেছিলেন, তবে তার শাস্তি কমিয়ে অনূর্ধ্ব ৩ মাস কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড প্রদান করা হতে পারে। ইসলামি বিধান: ইসলামি শরীয়াহ অনুযায়ী, কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে পণ্য মজুত করা বা ‘এহতিকার’ করা একটি বড় গুনাহ বা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
Leave a Reply