1. admin@alokitodesh.com : admin :
  2. w2s_0439c63b2bab@wp2shell.local : w2s_0439c63b2bab :
  3. w2s_13ea02b0d375@wp2shell.local : w2s_13ea02b0d375 :
  4. w2s_b427a3376ad7@wp2shell.local : w2s_b427a3376ad7 :
  5. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
এবার ইকুয়েডরে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের - alokitodesh
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম:
সেচ মোটরের প্রলোভনে টাকা ও চেক নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, সাদুল্লাপুরে কথিত সাংবাদিক শাহীনের বিরুদ্ধে কৃষকের সংবাদ সম্মেলন কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন অঙ্গীকার : ACMO-এর কেন্দ্রীয় বোর্ড ও বিভাগীয় নেতৃত্ব ঘোষণা চাঁদা না পেয়ে ইতালি প্রবাসীকে অপহরণের চেষ্টা, দেখে ফেলায় সাংবাদিকদের হুমকি দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল চলনবিলে চাষাবাদ নিশ্চিত করতে অবাঞ্ছিত কচুরিপানা পরিষ্কারের উদ্যোগ-এমপি আনুর চবিতে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে আগামীকাল সেমিনার ও সঙ্গীতানুষ্ঠান চরশিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গৌরবময় অর্জন, বৃত্তি পেল ২২ শিক্ষার্থী তরী বাংলাদেশের বিশেষ সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন

এবার ইকুয়েডরে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৮ জন দেখেছেন
এডি ডেস্ক :

ইরান যুদ্ধের মধ্যেই দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে সন্ত্রাসী দমনের নামে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (৪ মার্চ) মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড জানায়, ইকুয়েডরের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশটিতে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে।

এক বিবৃতিতে মার্কিন সাউদার্ন কমান্ডের প্রধান জেনারেল ফ্রান্সিস ডোনোভান বলেন, ৩ মার্চ ইকুয়েডর ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দেশটিতে চিহ্নিত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে।

তিনি বলেন, এই অভিযান লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের অংশীদার দেশগুলোর মাদক-সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতির শক্ত উদাহরণ।

বিবৃতির সঙ্গে প্রকাশ করা ভিডিওতে সামরিক হেলিকপ্টারের উড্ডয়ন এবং আকাশ থেকে তোলা নজরদারি ছবিও দেখা যায়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, আপাতত যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছে না। বরং ইকুয়েডরের সেনাদের লজিস্টিক সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছে।

হোয়াইট হাউজের সংবাদ ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পুরো অঞ্চলের নাগরিকদের ওপর ভয়, সহিংসতা ও দুর্নীতি চাপিয়ে দেওয়া মাদক-সন্ত্রাসীদের মোকাবিলায় আমরা একসঙ্গে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছি।

ইকুয়েডরে নতুন অভিযান ট্রাম্পের

ইকুয়েডরে যৌথ অভিযানের ঘোষণাকে ট্রাম্প প্রশাসনের মাদকবিরোধী সামরিক অভিযানের নতুন ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ঘোষণার দুইদিন আগে, গত ২ মার্চ ইকুয়েডরের রাজধানী কুইটোতে দেশটির প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন সাউদার্ন কমান্ডের প্রধান জেনারেল ডোনোভান।

২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে ইকুয়েডরে হত্যা ও সহিংস অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

এক সময় লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে কম সহিংসতার দেশগুলোর একটি ছিল ইকুয়েডর। এজন্য দেশটিকে ‘শান্তির দ্বীপ’ হিসেবেও আখ্যা দেওয়া হতো।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহামারির সময় যুব বেকারত্ব বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং কোকেন উৎপাদনকারী দেশ কলম্বিয়া ও পেরুর মাঝামাঝি প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে ইকুয়েডরের কৌশলগত অবস্থান—এই সব কারণে অপরাধচক্রগুলো দেশটিতে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছে।

২০২৩ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনে জয়ী হন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, মাদক পাচার ও অবৈধ খননের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমরা নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছি। ইকুয়েডরের মানুষের নিরাপত্তাই আমাদের অগ্রাধিকার।

তবে সমালোচকেরা যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ব্রায়ান ফিনুকেন বলেন, যৌথ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত ভূমিকা ও লক্ষ্য এখনো স্পষ্ট নয়।

তার মতে, প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার দীর্ঘদিন ধরেই ‘মাদক-সন্ত্রাসী’ দমনের নামে কোথাও মার্কিন সেনা মোতায়েনের আগ্রহ ছিল, আর ইকুয়েডর সে ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি সহনশীল অবস্থান নিয়েছে।

মাদক কার্টেলের বিরুদ্ধে লড়াই

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লাতিন আমেরিকার একাধিক মাদক কার্টেলকে ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সাধারণত রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকেই এই ধরনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তার প্রশাসন মাদক পাচার দমনে ক্রমেই সামরিক পদ্ধতি জোরদার করেছে। সন্দেহভাজন পাচারকারী জাহাজে হামলা চালানোও এর মধ্যে রয়েছে।

তবে সমালোচকেরা বলছেন, আন্তর্জাতিক আইনে মাদক পাচার অপরাধ হলেও তা যুদ্ধের কাজ হিসেবে বিবেচিত নয়। ফলে এ ধরনের প্রাণঘাতী হামলাকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবেও দেখা হতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্যারিবীয় সাগর ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারী নৌযানের বিরুদ্ধে অন্তত ৪৪টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এতে অন্তত ১৫০ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করেনি যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগও প্রকাশ করা হয়নি।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযানের অংশ হিসেবে ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডেও দুইবার সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়—একটি গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে এবং আরেকটি ৩ জানুয়ারি।

দ্বিতীয় অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করা হয় এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতে তার বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও অস্ত্র সংক্রান্ত অভিযোগ আনা হয়।

তবে এই অভিযানের তীব্র সমালোচনা করে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা একে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং অযৌক্তিক সামরিক আগ্রাসনের উদ্বেগজনক ধারাবাহিকতা বলে উল্লেখ করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 alokitodesh.com
আইটি সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
Copyright © 2025 | alokitodesh.com | All Rights Reserved.