এডি ডেস্ক
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসা সাধারণ মানুষের জন্য একগুচ্ছ বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠানস্থলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্যের বিস্তারিত জানান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
ডিএমপি কমিশনার জানান, ভাষা শহীদদের প্রতি ভালোবাসা জানাতে আসা নাগরিকদের সুশৃঙ্খলভাবে প্রবেশের জন্য নির্দিষ্ট রুট ম্যাপ অনুসরণ করতে হবে। শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সবাইকে পলাশীর মোড় ও জগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে শহীদ মিনার রোড ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে। নিরাপত্তার কঠোর স্বার্থে নির্ধারিত এই পথগুলো ছাড়া অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে প্রবেশ না করতে পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জনজট এড়াতে প্রস্থানের পথও নির্দিষ্ট করে দিয়েছে ডিএমপি। ফুল দেওয়া শেষ করে সবাইকে দোয়েল চত্বর কিংবা চানখাঁরপুল এলাকা দিয়ে বের হয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া জননিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শহীদ মিনার এলাকায় কোনো ধরনের ধারালো বস্তু, দাহ্য পদার্থ বা যেকোনো ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ সামগ্রী বহন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
শহীদ মিনারে প্রবেশের সময়সূচী সম্পর্কে ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিবর্গ এবং বিদেশি কূটনীতিকদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষ হওয়ার পর সাধারণ মানুষের জন্য শহীদ মিনার উন্মুক্ত করা হবে। ঘড়ির কাঁটায় রাত ১২টা ৪০ মিনিটের পর থেকে জনসাধারণের প্রবেশের সুযোগ মিলবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, এবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে কয়েক স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। নিরাপত্তার মূল দায়িত্বে থাকছেন প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য। এর বাইরেও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠে সক্রিয় থাকবে ডিবি, সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও সার্বক্ষণিক নজরদারি চালিয়ে যাবে।
Leave a Reply