1. admin@alokitodesh.com : admin :
  2. w2s_0439c63b2bab@wp2shell.local : w2s_0439c63b2bab :
  3. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
জনমত উপেক্ষা করে ‘গণপাঠাগার’ বদলে ‘ উপ‌জেলা প্রশাসন গ্রনন্থাগার’, ক্ষোভ বাঞ্ছারামপুরে - alokitodesh
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম:
কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন অঙ্গীকার : ACMO-এর কেন্দ্রীয় বোর্ড ও বিভাগীয় নেতৃত্ব ঘোষণা চাঁদা না পেয়ে ইতালি প্রবাসীকে অপহরণের চেষ্টা, দেখে ফেলায় সাংবাদিকদের হুমকি দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল চলনবিলে চাষাবাদ নিশ্চিত করতে অবাঞ্ছিত কচুরিপানা পরিষ্কারের উদ্যোগ-এমপি আনুর চবিতে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে আগামীকাল সেমিনার ও সঙ্গীতানুষ্ঠান চরশিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গৌরবময় অর্জন, বৃত্তি পেল ২২ শিক্ষার্থী তরী বাংলাদেশের বিশেষ সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাঞ্ছারামপুর গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেটের অভিযোগ, তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় স্থানীয় ভোটের প্রস্তুতি: ইসি সানাউল্লাহ

জনমত উপেক্ষা করে ‘গণপাঠাগার’ বদলে ‘ উপ‌জেলা প্রশাসন গ্রনন্থাগার’, ক্ষোভ বাঞ্ছারামপুরে

  • আপডেট : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
  • ১৯১ জন দেখেছেন

এডি ডেস্ক: দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় আন্দোলন, দাবি ও অপেক্ষার পর অবশেষে বাঞ্ছারামপুরে পাঠাগার চালুর উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। তবে পাঠাগার ফিরে পাওয়ার আনন্দকে ম্লান করে দিয়েছে এর নামকরণ নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত “বাঞ্ছারামপুর গণপাঠাগার”কে পুনরায় সেই নামেই চালু করার পরিবর্তে প্রশাসন একক সিদ্ধান্তে এর নাম দিয়েছে “উপজেলা প্রশাসন গ্রন্থাগার”। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

তাদের প্রশ্ন, যে পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত ছিল, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাঞ্ছারামপুরের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার ইতিহাস, সেই পাঠাগারের ঐতিহ্যবাহী নাম পরিবর্তনের প্রয়োজন কেন হলো? জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল গণপাঠাগার পুনরুদ্ধার করা, নাম পরিবর্তন করা নয়।
অনেকেই মনে করছেন, প্রশাসনিক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জনগণের আবেগ ও ইতিহাসকে উপেক্ষা করে ‘বাঞ্ছারামপুর গণপাঠাগার’-এর পরিবর্তে ‘উপজেলা প্রশাসন গ্রন্থাগার’ নামকরণ করা হয়েছে। এতে পাঠাগারটি জনগণের প্রতিষ্ঠান হওয়ার পরিবর্তে প্রশাসনের প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নামকরণ নিয়ে চলমান সমালোচনার বিষয়ে জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, “যদি ‘পাবলিক লাইব্রেরি বা গণপাঠাগার’ নাম দেওয়া হতো, তাহলে এর জন্য আলাদা জনবল ও প্রশাসনিক কাঠামোর প্রয়োজন হতো। বর্তমানে এর নাম উপজেলা প্রশাসন গ্রন্থ‌াগার হলেও এটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মানুষ এখানে এসে বই পড়তে পারবে এবং এর সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।”
তিনি আরও বলেন, “এটি আপাতত চলতে থাকুক। ভবিষ্যতে প্রয়োজন ও জনমতের ভিত্তিতে নাম পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।”
তবে জেলা প্রশাসকের এই বক্তব্যে স্থানীয়দের ক্ষোভ পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। তাদের দাবি, বিষয়টি শুধু একটি নামের নয়; এটি বাঞ্ছারামপুরের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং জনগণের আবেগের সঙ্গে জড়িত। তাই প্রশাসনিক নাম নয়, প্রতিষ্ঠাকাল থেকে পরিচিত ‘বাঞ্ছারামপুর গণপাঠাগার’ নামই পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, শিক্ষার্থী মহল, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সচেতন নাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 alokitodesh.com
আইটি সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
Copyright © 2025 | alokitodesh.com | All Rights Reserved.