তৌহিদুল ইসলাম, মেহেরপুর
মাত্র ১২০ টাকা সরকারি ফি দিয়ে মেহেরপুরে বাংলাদেশ পুলিশে চাকরি পেলেন ১২ জন তরুণ-তরুণী। কোনো তদবির, সুপারিশ বা দালালের সহায়তা ছাড়াই সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে তারা ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন চাকরিপ্রাপ্তরা ও তাদের পরিবার।
সোমবার (১৮ মে) রাত ৮টার দিকে মেহেরপুর পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও জেলা পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ ও একজন নারী প্রার্থী রয়েছেন।
এর আগে সকাল ১০টায় লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৮১ জন চাকরিপ্রত্যাশী অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষায় ৩৮ জন উত্তীর্ণ হন। পরে তারা মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। সব ধাপ শেষে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ১২ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।
চাকরিপ্রাপ্তরা জানান, কোনো ধরনের দালাল বা তদবির ছাড়াই নিজেদের যোগ্যতায় বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য হতে পেরে তারা গর্বিত ও আনন্দিত। তাদের পরিবারের সদস্যরাও নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, সাধারণ ও দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের জন্য এমন নিয়োগ ব্যবস্থা আশাব্যঞ্জক।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর আগেই স্থানীয় ডিশ চ্যানেল, সংবাদপত্র, মাইকিং ও ফেসবুক পেজের মাধ্যমে চাকরিপ্রত্যাশীদের দালাল ও প্রতারক চক্র সম্পর্কে সচেতন করা হয়। কঠোর তদারকি ও সতর্কতার কারণে কোনো ধরনের অনিয়ম ছাড়াই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। ফলাফল ঘোষণাকালে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মিনহাজ-উল-ইসলাম এবং কুষ্টিয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ দেলোয়ার।
এমবি
Leave a Reply