1. admin@alokitodesh.com : admin :
  2. w2s_0439c63b2bab@wp2shell.local : w2s_0439c63b2bab :
  3. w2s_13ea02b0d375@wp2shell.local : w2s_13ea02b0d375 :
  4. w2s_3c62cb1fd451@wp2shell.local : w2s_3c62cb1fd451 :
  5. w2s_b427a3376ad7@wp2shell.local : w2s_b427a3376ad7 :
  6. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
১৮০ বিঘা জমিতে একটিও ফল নেই, ক্ষতির মূখে কৃষি উদ্যোক্তা: সাজ্জাদ - alokitodesh
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম:
সেচ মোটরের প্রলোভনে টাকা ও চেক নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, সাদুল্লাপুরে কথিত সাংবাদিক শাহীনের বিরুদ্ধে কৃষকের সংবাদ সম্মেলন কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন অঙ্গীকার : ACMO-এর কেন্দ্রীয় বোর্ড ও বিভাগীয় নেতৃত্ব ঘোষণা চাঁদা না পেয়ে ইতালি প্রবাসীকে অপহরণের চেষ্টা, দেখে ফেলায় সাংবাদিকদের হুমকি দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল চলনবিলে চাষাবাদ নিশ্চিত করতে অবাঞ্ছিত কচুরিপানা পরিষ্কারের উদ্যোগ-এমপি আনুর চবিতে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে আগামীকাল সেমিনার ও সঙ্গীতানুষ্ঠান চরশিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গৌরবময় অর্জন, বৃত্তি পেল ২২ শিক্ষার্থী তরী বাংলাদেশের বিশেষ সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন

১৮০ বিঘা জমিতে একটিও ফল নেই, ক্ষতির মূখে কৃষি উদ্যোক্তা: সাজ্জাদ

  • আপডেট : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ২৫ জন দেখেছেন

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

ব্যাংকের ঋণ, দোকানে সার-কীটনাশক বাকিতে নিয়ে মানুষের ৬০ একর জমি চুক্তি নিয়ে হাইব্রিড জাতের মিষ্টি কুমড়া চাষ করেছিলেন পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার লাঙ্গল গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন। সঠিক পরিচর্যায় কুমড়ো গাছে ঢেকে যায় পুরো ক্ষেত। আসতে শুরু করে ফুল। কিন্তু ফল আসে না। মৌসূমে শেষের দিকে হলেও দেখা নেই কোন ফলের। ইতোমধ্যে সব মিলিয়ে তিনি খরচ করেছেন ৩৮-৪০ লাখ টাকার মত। বীজ কোম্পানীর কথামত ফলন হলে এসব জমি থেকে তিনি বর্তমান বাজারে প্রায় দেড় কোটি টাকার মিষ্টি কুমড়া বিক্রয় করতে পারতেন।
জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগে কৃষক সাজ্জাদ হোসেন জানান, পঞ্চগড় জেলার বোদার উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের সর্দারপাড়া ও পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের নলেহা গ্রামে বিভিন্ন লোকের কাছে ৬০ বিঘা জমি একর প্রতি ৬০ হাজার টাকা চুক্তিতে নিয়ে আলু চাষ করেন। কিন্তু আলুতে লোকসান হওয়ার পর সেই জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষের সিদ্ধান্ত নেন। বোদা বাজারের সার-বীজ কীটনাশক ব্যবসায়ী আরিফুল রমহান রাসেলের পরামর্শে আলমগীর সীড কোম্পানীর ‘ব্যাংকক সুইট-২’ জাতের মিষ্টি কুমড়ার বীজ সংগ্রহ করে জমিতে লাগান। কোম্পানী থেকে নিশ্চয়তা দিয়ে তাকে বলা হয়েছিল এই বীজের মান খুবই ভাল এবং প্রতি একরে ১৯-২০ মেট্রিক টন ফলন আসবে। তাদের কথামত নিয়মিত পরিচর্যা, সেচ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করে গাছের চেহারা অনেক ভাল হলেও তিন মাসেও কোন ফল আসেনি। ইতোমধ্যে এই জমিতে তিনি প্রায় ৪০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ফেলেছেন। ভবিষ্যতে ফল আসারও কোন সম্ভাবনা নেই।
জমির মালিক সর্দারপাড়া গ্রামের কাব্য ভূষন বর্মন জানান, আমরা ছয় ভাই মিলে সাজ্জাদ ভাইকে ৬০ বিঘা জমি দিয়েছি। আলু করে তিনি অনেক টাকা লোকসান করেছেন। সেই জমিতে তিনি মিষ্টি কুমড়া করেছিলেন। জমিতে গাছ ভর্তি হলেও কোন ফল আসেনি। এটা বীজের দোষ। আমাদের জমির পাশে অন্য লোক মিষ্টি কুমড়া করেছে। তাদের জমি মিষ্টি কুমড়া দিয়ে ভর্তি। সাজ্জাদ ভাই আলু করে কিছু টাকা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন মিষ্টি কুমড়া বিক্রয় করে বাকি টাকা দিবেন। কিন্তু মিষ্টি কুমড়ার ফল না আসায় আমরাও আমাদের টাকা নিয়ে চিন্তিত আছি।
সার-বীজ কীটনাশক ব্যবসায়ী মো. আরিফুল রহমান রাসেল জানান, আলমগীর সীডস কোম্পানি আমাকে জানিয়েছে তাদের বীজ ভালো হবে। একরে ১৯-২০ টন ফলন হবে। গত ২৬ জানুয়ারি কোম্পানিকে নগদ টাকা দিয়ে ১০ কেজি ৬শ গ্রাম বীজ নিয়ে আমি সাজ্জাদ ভাইকে দেই। তাদের নির্দেশনা মেনে সব করি। কিন্তু জমিতে প্রচুর গাছ থাকলেও মিষ্টি কুমড়া একটিও হয়নি। আমি কোম্পানীকে বলেছিলাম আপনাদের বীজ নিয়ে সাজ্জাদ ভাইর প্রচুর টাকা ক্ষতি হয়েছে। তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কিন্তু এখন তারা নানাভাবে টালবাহানা করছে।
কৃষি উদ্যোক্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ভাই আমি পথে বসেছি। আমি এখন কি করব। আলমগীর সীড কোম্পানী আমাকে রাস্তায় নামিয়েছে। ঋণ আর ধারদেনা করে, জমির মালিকের টাকা আর হাল আল মজুরীর টাকা বাকি রেখে প্রায় ৪০ টাকা খরচ করেছি। এত টাকা আমি কিভাবে পরিশোধ করব। আমি আলমগীর সীড কোম্পানীর কাছে ক্ষতিপুরণ চাই। তারা আমাকে ক্ষতিপুরণ না দিলে আমি আদালতে যাব।
জেলা বীজ ও প্রত্যয়ন কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শামীম বলেন, কৃষি উদ্যোক্তা সাজ্জাদ বীজ কিনে প্রতারিত হওয়ার একটি অভিযোগ দিয়েছেন। যার অনুলিপি আমরা পেয়েছি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাসহ আমরা সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাই। তিনি আসলেই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 alokitodesh.com
আইটি সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
Copyright © 2025 | alokitodesh.com | All Rights Reserved.