1. admin@alokitodesh.com : admin :
  2. w2s_0439c63b2bab@wp2shell.local : w2s_0439c63b2bab :
  3. w2s_13ea02b0d375@wp2shell.local : w2s_13ea02b0d375 :
  4. w2s_3c62cb1fd451@wp2shell.local : w2s_3c62cb1fd451 :
  5. w2s_b427a3376ad7@wp2shell.local : w2s_b427a3376ad7 :
  6. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
শিশুর আকিকা না করে টাকা দান করা যাবে? - alokitodesh
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম:
সেচ মোটরের প্রলোভনে টাকা ও চেক নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, সাদুল্লাপুরে কথিত সাংবাদিক শাহীনের বিরুদ্ধে কৃষকের সংবাদ সম্মেলন কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন অঙ্গীকার : ACMO-এর কেন্দ্রীয় বোর্ড ও বিভাগীয় নেতৃত্ব ঘোষণা চাঁদা না পেয়ে ইতালি প্রবাসীকে অপহরণের চেষ্টা, দেখে ফেলায় সাংবাদিকদের হুমকি দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল চলনবিলে চাষাবাদ নিশ্চিত করতে অবাঞ্ছিত কচুরিপানা পরিষ্কারের উদ্যোগ-এমপি আনুর চবিতে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে আগামীকাল সেমিনার ও সঙ্গীতানুষ্ঠান চরশিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গৌরবময় অর্জন, বৃত্তি পেল ২২ শিক্ষার্থী তরী বাংলাদেশের বিশেষ সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন

শিশুর আকিকা না করে টাকা দান করা যাবে?

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ২৩ জন দেখেছেন

ইসলাম ডেস্ক: সন্তানের জন্মের পর আকিকা করা ইসলামী শরিয়তে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নেক আমল। তবে আধুনিক সময়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে যে, আকিকার জন্য নির্ধারিত পশু কোরবানি না করে সেই অর্থ কোনো জনকল্যাণমূলক সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানে দান করে দিলে আকিকার সওয়াব পাওয়া যাবে কি না।

আলেমদের মতে, আকিকা কোনো ফরজ বা ওয়াজিব ইবাদত নয়, বরং এটি একটি মুস্তাহাব বা ঐচ্ছিক নেক আমল। ইসলামের বিধান অনুযায়ী আকিকার মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে পশু রক্ত প্রবাহিত করা বা কোরবানি করা। শরিয়ত নির্ধারিত এই বিশেষ আমলটির মাধ্যমেই আকিকার জন্য ঘোষিত ফজিলত ও সওয়াব হাসিল হয়।

যদি কেউ আকিকার পশুর সমপরিমাণ অর্থ কোনো চ্যারিটি বা কল্যাণমূলক সংস্থায় দান করে দেন, তবে সাধারণ সদকা বা দানের সওয়াব পাওয়া গেলেও তা আকিকা হিসেবে গণ্য হবে না। অর্থাৎ, আকিকার মাধ্যমে যে বিশেষ বরকত বা সওয়াব পাওয়ার কথা ছিল, তা শুধু পশু জবাই করার মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতে, ইবাদতের ধরণ পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। যে আমল যেভাবে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তার পূর্ণ সওয়াব পেতে হলে সেই পদ্ধতিই অনুসরণ করতে হবে। তাই সন্তানের কল্যাণে আকিকার সওয়াব পেতে হলে পশু জবাই করাকেই অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। সাধারণ দান-সদকা অন্য সময় বা অতিরিক্ত হিসেবে করা যেতে পারে, কিন্তু তা আকিকার বিকল্প হতে পারে না।

 

সন্তান জন্মের সপ্তম দিন আকিকা করা উত্তম। এক হাদিসে সপ্তম দিনে আকিকা করার কথা বলা হয়েছে।

 

রাসুলুল্লাহ (সা.) তার দৌহিত্রদ্বয় হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর আকিকা সপ্তম দিনে করেছেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২৮৩৪)

তাই সম্ভব হলে সপ্তম দিনেই আকিকা করা উত্তম। সপ্তম দিনে সম্ভব না হলে ১৪ তম দিনে বা একুশতম দিনে করা ভালো। উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) বলেন, আকিকা সপ্তম দিনে হওয়া উচিত। তা সম্ভব না হলে চৌদ্দতম দিনে। এবং তাও সম্ভব না হলে একুশতম দিনে। (মুসতাদরাকে হাকেম, হাদিস : ৭৬৬৯)

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 alokitodesh.com
আইটি সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
Copyright © 2025 | alokitodesh.com | All Rights Reserved.