আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইস্যুটি আলোচনার টেবিলে আনতে চাইছে। ওয়াশিংটনের স্পষ্ট অবস্থান—তেহরানকে কোনোভাবেই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাখার অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান থেকে একচুলও সরে আসতে নারাজ ইরান; তারা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের কাছেই রাখার ব্যাপারে অনড় রয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পারমাণবিক ইস্যুতে ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে তারা কোনও ছাড় দেবেন না। তেহরান তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তর এবং সম্পূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে ফেলার মার্কিন দাবি নাকচ করে দিয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই স্থানীয় গণমাধ্যমকে একটি বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানি কর্মকর্তারা সব রণাঙ্গনে যুদ্ধের একটি স্থায়ী সমাপ্তি চাইছেন। তেহরান এই নিশ্চয়তা চায় যে, যুদ্ধ আর পুনরায় শুরু হবে না। এছাড়া ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্ব নিয়েও কোনও আপস চলবে না, তবে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ তুলে নিলে তেহরান প্রণালিটি পুনরায় খুলে দিতে পারে।
এদিকে, নৌ-অবরোধ ভেঙে ইরানে যাওয়ার চেষ্টাকালে দেশটির দুটি ট্যাংকার জাহাজে হামলা চালিয়ে সেগুলো অকেজো করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড শুক্রবার এক বিবৃতিতে হামলার বিষয়টি জানিয়েছে। তারা বলেছে, চলমান মার্কিন অবরোধ অমান্য করে ওমান উপসাগর হয়ে ইরানের বন্দরে ঢোকার আগেই এম/টি সি স্টার থ্রি’ এবং ‘এম/টি সেভদা’ নামের দুটি জাহাজ অকেজো করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী। ট্যাংকার দুটিতে নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা হয়েছে।
Leave a Reply