স্থানীয়দের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি নতুন সেতু নির্মাণ করে সড়ক বিভাগ। তবে নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি সেতুটি।
নতুন সেতুর দুই পাশে প্রায় ৪০০ মিটার সংযোগ সড়কের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় সৃষ্টি হয়েছে এই দুর্ভোগ। অস্থায়ীভাবে যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও এক বছরের মধ্যেই সড়কে তৈরি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ। ফলে পরিবহনচালক ও স্থানীয়দের ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুরানো সেতু দিয়ে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দ্রুত এ সমস্যার সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ নেয়া উচিত।
অন্যদিকে পরিবহনচালকদের দাবি, নতুন সেতুর সংযোগ সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ হওয়ায় বাধ্য হয়েই এখনও পুরানো ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ব্যবহার করতে হচ্ছে তাদের। বড় বাস ও কিছু ট্রাক ছাড়া অধিকাংশ যানবাহনই এখনও পুরানো সেতু দিয়েই চলাচল করছে।
এ বিষয়ে শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাবিল হোসেন বলেন, ‘জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে কাজ সম্পন্ন করতে দেরি হচ্ছে। তবে দ্রুত কাজ শেষ করে আগামী এক বছরের মধ্যে নতুন সেতুটি পুরোপুরি চালু করার চেষ্টা চলছে।’
যেখানে নতুন সেতু হওয়ার কথা ছিল নিরাপদ ও স্বস্তির যাতায়াতের প্রতীক, সেখানে এখনও ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তাই দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে নতুন সেতুটি সম্পূর্ণ চালুর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
Leave a Reply