1. admin@alokitodesh.com : admin :
  2. w2s_0439c63b2bab@wp2shell.local : w2s_0439c63b2bab :
  3. w2s_13ea02b0d375@wp2shell.local : w2s_13ea02b0d375 :
  4. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
ফলের রস খেলে কি ব্লাড সুগার বাড়ে? - alokitodesh
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম:
কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন অঙ্গীকার : ACMO-এর কেন্দ্রীয় বোর্ড ও বিভাগীয় নেতৃত্ব ঘোষণা চাঁদা না পেয়ে ইতালি প্রবাসীকে অপহরণের চেষ্টা, দেখে ফেলায় সাংবাদিকদের হুমকি দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল চলনবিলে চাষাবাদ নিশ্চিত করতে অবাঞ্ছিত কচুরিপানা পরিষ্কারের উদ্যোগ-এমপি আনুর চবিতে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে আগামীকাল সেমিনার ও সঙ্গীতানুষ্ঠান চরশিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গৌরবময় অর্জন, বৃত্তি পেল ২২ শিক্ষার্থী তরী বাংলাদেশের বিশেষ সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাঞ্ছারামপুর গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেটের অভিযোগ, তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন

ফলের রস খেলে কি ব্লাড সুগার বাড়ে?

  • আপডেট : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ২৭ জন দেখেছেন

এডি ডেস্ক
অনেকেই বাড়িতে এক গ্লাস তাজা ফলের রস দিয়ে দিন শুরু করতে পছন্দ করেন। এটিকে একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প বলে মনে হতে পারে, কিন্তু যদি জানেন যে এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে? ডায়াবেটিস রোগীদের কথা বলছি না। আসলে এমন ব্যক্তিদের কথা বলছি যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নন, কিন্তু ফলের রস তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

ফলের রস কি ডায়াবেটিস নেই এমন ব্যক্তিদের রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফলের রস ডায়াবেটিস নেই এমন ব্যক্তিদের রক্তেও শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। ফলের রসে ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করা থাকে, যা দ্রুত রক্তে শোষিত হয়। ফল থেকে রস তৈরি করার সময় এর বেশিরভাগ আঁশ বা ফাইবার সরিয়ে ফেলা হয়। ফাইবার সাধারণত শর্করার শোষণকে ধীর করে দেয়; তাই এটি ছাড়া শর্করা দ্রুত রক্তে প্রবেশ করে। রক্তে শর্করার এই দ্রুত বৃদ্ধিকে স্পাইক বলা হয়, এবং এটি ডায়াবেটিস না থাকলেও ঘটতে পারে।

সুস্থ মানুষের শরীরে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। তবে ধীরে ধীরে ঘন ঘন স্পাইক ভালো নাও হতে পারে, বিশেষ করে যদি কোনো ব্যক্তি নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে ফলের রস পান করেন।

ফলের রস এবং গ্লুকোজ স্পাইক নিয়ে গবেষণা কী বলছে

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, ম্যাসাচুসেটসের শিশুদের উপর পরিচালিত একটি দীর্ঘমেয়াদী গবেষণার প্রাথমিক ফলাফলে শৈশব ও কৈশোরে নিয়মিত চিনিযুক্ত পানীয় এবং ফলের রস (দৈনিক ৮ আউন্স বা তার বেশি) পানের সঙ্গে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধির একটি সম্ভাব্য যোগসূত্র পাওয়া গেছে। এটি গ্লাইসেমিক মার্কারের উপর ভিত্তি করে, তবে মেয়েদের ক্ষেত্রে নয়, ছেলেদের ক্ষেত্রে।

প্যাকেটজাত ফলের রস কি নিরাপদ?

এখন আসুন আমরা বোঝার চেষ্টা করি যে প্যাকেটজাত ফলের রস ভালো না খারাপ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এগুলো আরও খারাপ হতে পারে কারণ এতে অতিরিক্ত চিনি এবং প্রিজারভেটিভ থাকতে পারে। তাজা ফলের রসও অতিরিক্ত পরিমাণে পান করলে ক্যালোরি গ্রহণ বাড়াতে পারে এবং ওজন বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। ফলের রসের চেয়ে গোটা ফল খাওয়া ভালো, কারণ এতে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ থাকে। ফাইবার শরীরে চিনি কত দ্রুত শোষিত হবে তা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

এমবি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 alokitodesh.com
আইটি সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
Copyright © 2025 | alokitodesh.com | All Rights Reserved.