ইসলাম ডেস্ক: হজের ফরজ তিনটি আর ওয়াজিব সাতটি। আর এগুলো আমরা একে একে জানব। চলুন, জেনে নেওয়া যাক জিলহজ মাসের কোন তারিখে হজযাত্রীদের কী কী কাজ আদায় করতে হবে:
৮ জিলহজ: অনেক এজেন্সি হজযাত্রীদের ৭ জিলহজ রাতেই মিনায় নিয়ে থাকে। এতে কোনো অসুবিধা নেই। ৮ জিলহজ জোহরের নামাজের আগে মিনায় আপনাকে প্রবেশ করলেই হলো। ছোট ব্যাগে মিনার জন্য কিছু কাপড় ও প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে নিন ও অন্য ছোট ব্যাগপ্যাক বা কাঁধের ব্যাগটিতে মুজদালিফার প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে নিন।
হজের প্রথম ফরজ হলো ইহরাম করা। ঠিক আগের মতোই মিনায় রওনার আগে ইহরামের প্রয়োজনীয় কাজগুলো সেরে নিন। তবে এবার নিয়ত হবে হজের জন্য।
পুরুষেরা উচ্চ স্বরে তালবিয়া পাঠ করুন: তালবিয়া—লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক; লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ানি মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।
জোহরের নামাজের আগেই আপনাকে মিনায় প্রবেশ করতে হবে। তারপর নামাজ আদায় ছাড়া আর কোনো কাজ নেই। তবে এখানে আজকের সব নামাজই ছোট নামাজ বা কসর নামাজ। জোহরের দুই, আসরের দুই, মাগরিবের তিন আর এশার দুই রাকাত। সব ওয়াক্তের নামাজ জামাতে পড়বেন। রাসুল (সা.) ওয়াক্তিয় কসর নামাজ ব্যতীত অন্য কোনো নামাজ মিনায় পড়েননি। বাকি সময়টুকু কোরআন তিলাওয়াত করতে পারেন অথবা বিশ্রাম নিন।
হজের ফরজ ৩টি
১. ইহরাম বাঁধা।
২ আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা ।
৩. তাওয়াফে জিয়ারত করা।
হজের ওয়াজিব কাজ ৬টি
এক. জিলহজের ১০ তারিখ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত যেকোনো সময়ে মুজদালিফায় অবস্থান করা। (সুরা বাকারা,আয়াত : ১৯৮)
দুই. সাফা-মারওয়ায় সাতটি দৌড় । এটিকে সায়ি বলা হয়। দৌড় শুরু হবে সাফা থেকে আর শেষ হবে মারওয়ায়। (মুসলিম,হাদিস : ২১৩৭)
তিন. শয়তানকে পাথর মারা। (মুসলিম, হাদিস : ২২৮৬)
চার. তামাত্তু ও কিরান হজকারীদের দমে শোকর বা হজের কোরবানি করা।
পাঁচ. হারাম শরিফের সীমানায় কোরবানির দিনগুলোতে মাথা মুণ্ডানো বা চুল ছোট করা। (বুখারি,হাদিস : ১৬১৩)
ছয়. বিদায়ী তাওয়াফে করা। (মুসলিম,হাদিস : ২৩৫০)
Leave a Reply