1. admin@alokitodesh.com : admin :
  2. w2s_0439c63b2bab@wp2shell.local : w2s_0439c63b2bab :
  3. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
বেরোবি বিএনসিসি বিতর্ক: তালা ভাঙা ও পদোন্নতি অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন - alokitodesh
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম:
কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন অঙ্গীকার : ACMO-এর কেন্দ্রীয় বোর্ড ও বিভাগীয় নেতৃত্ব ঘোষণা চাঁদা না পেয়ে ইতালি প্রবাসীকে অপহরণের চেষ্টা, দেখে ফেলায় সাংবাদিকদের হুমকি দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল চলনবিলে চাষাবাদ নিশ্চিত করতে অবাঞ্ছিত কচুরিপানা পরিষ্কারের উদ্যোগ-এমপি আনুর চবিতে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে আগামীকাল সেমিনার ও সঙ্গীতানুষ্ঠান চরশিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গৌরবময় অর্জন, বৃত্তি পেল ২২ শিক্ষার্থী তরী বাংলাদেশের বিশেষ সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাঞ্ছারামপুর গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেটের অভিযোগ, তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন

বেরোবি বিএনসিসি বিতর্ক: তালা ভাঙা ও পদোন্নতি অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন

  • আপডেট : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৬ জন দেখেছেন

বেরোবি প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ইউনিটের বিরুদ্ধে সম্প্রতি তালা ভেঙে রুম দখল ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ করে একটি মহল। তবে অনুসন্ধানে এসব অভিযোগের সত্যতা মেলেনি।

তালা ভেঙে রুম দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী শাহরিয়ার আকিব বলেন, ক্যাফেটেরিয়ার দ্বিতীয় তলার নতুন রুমগুলো আপাতত অফিসিয়ালি কাউকে বরাদ্দ দেওয়া না হলেও সেখানে কোনো রুমে আমাদের পক্ষ থেকে তালা দেওয়া হয়নি এবং  তালা দেওয়া ছিল না ।

অন্যদিকে বিএনসিসির বেরোবি ইউনিটের সদস্যদের মধ্যে  সিনিয়র সদস্যদের উপেক্ষা করে জুনিয়রদের উচ্চ পদে পদায়নের অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়নি।

জানা যায়, তাদের মোট সদস্যদের মধ্যে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫,১৬ ও১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে । তাদের মধ্যে ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইম ইসলাম বর্তমানে ক্যাডেট ইনসার্চ এবং সাকিউল ইসলাম শাওন ক্যাডেট সার্জেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উপস্থিত বিএনসিসির সদস্যরা জানান, আমরা যখন রুমে প্রবেশ করেছি তখন রুমে কোনো তালা ছিল না এবং আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই রুমে প্রবেশ করেছি। এছাড়াও আমরা এই রুমে পরিবর্তন হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্যার এসে দেখে গেছেন।

এই বিষয়ে জানতে বিএনসিসির পিইউও ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ইফফাত আরা বাঁধন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব)  প্রফেসর ড. ফেরদৌস রহমানকে একাধিকবার কল দিলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা, বিভিন্ন জাতীয় দিবস, বিশেষ অনুষ্ঠানে গার্ড অব অনার প্রদানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিএনসিসির সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 alokitodesh.com
আইটি সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
Copyright © 2025 | alokitodesh.com | All Rights Reserved.