বেরোবি প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ইউনিটের বিরুদ্ধে সম্প্রতি তালা ভেঙে রুম দখল ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ করে একটি মহল। তবে অনুসন্ধানে এসব অভিযোগের সত্যতা মেলেনি।
তালা ভেঙে রুম দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী শাহরিয়ার আকিব বলেন, ক্যাফেটেরিয়ার দ্বিতীয় তলার নতুন রুমগুলো আপাতত অফিসিয়ালি কাউকে বরাদ্দ দেওয়া না হলেও সেখানে কোনো রুমে আমাদের পক্ষ থেকে তালা দেওয়া হয়নি এবং তালা দেওয়া ছিল না ।
অন্যদিকে বিএনসিসির বেরোবি ইউনিটের সদস্যদের মধ্যে সিনিয়র সদস্যদের উপেক্ষা করে জুনিয়রদের উচ্চ পদে পদায়নের অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়নি।
জানা যায়, তাদের মোট সদস্যদের মধ্যে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫,১৬ ও১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে । তাদের মধ্যে ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইম ইসলাম বর্তমানে ক্যাডেট ইনসার্চ এবং সাকিউল ইসলাম শাওন ক্যাডেট সার্জেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
উপস্থিত বিএনসিসির সদস্যরা জানান, আমরা যখন রুমে প্রবেশ করেছি তখন রুমে কোনো তালা ছিল না এবং আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই রুমে প্রবেশ করেছি। এছাড়াও আমরা এই রুমে পরিবর্তন হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্যার এসে দেখে গেছেন।
এই বিষয়ে জানতে বিএনসিসির পিইউও ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ইফফাত আরা বাঁধন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. ফেরদৌস রহমানকে একাধিকবার কল দিলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা, বিভিন্ন জাতীয় দিবস, বিশেষ অনুষ্ঠানে গার্ড অব অনার প্রদানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিএনসিসির সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়।
Leave a Reply