1. admin@alokitodesh.com : admin :
  2. w2s_0439c63b2bab@wp2shell.local : w2s_0439c63b2bab :
  3. w2s_13ea02b0d375@wp2shell.local : w2s_13ea02b0d375 :
  4. w2s_3c62cb1fd451@wp2shell.local : w2s_3c62cb1fd451 :
  5. w2s_b427a3376ad7@wp2shell.local : w2s_b427a3376ad7 :
  6. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
জেনে নিন শিশুকে কখন কোন টিকা দেবেন - alokitodesh
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম:
সেচ মোটরের প্রলোভনে টাকা ও চেক নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, সাদুল্লাপুরে কথিত সাংবাদিক শাহীনের বিরুদ্ধে কৃষকের সংবাদ সম্মেলন কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন অঙ্গীকার : ACMO-এর কেন্দ্রীয় বোর্ড ও বিভাগীয় নেতৃত্ব ঘোষণা চাঁদা না পেয়ে ইতালি প্রবাসীকে অপহরণের চেষ্টা, দেখে ফেলায় সাংবাদিকদের হুমকি দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল চলনবিলে চাষাবাদ নিশ্চিত করতে অবাঞ্ছিত কচুরিপানা পরিষ্কারের উদ্যোগ-এমপি আনুর চবিতে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে আগামীকাল সেমিনার ও সঙ্গীতানুষ্ঠান চরশিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গৌরবময় অর্জন, বৃত্তি পেল ২২ শিক্ষার্থী তরী বাংলাদেশের বিশেষ সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন

জেনে নিন শিশুকে কখন কোন টিকা দেবেন

  • আপডেট : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৬ জন দেখেছেন

এ‌ডি ডেস্ক : একটি সুস্থ ও সক্ষম প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিশুর নির্দিষ্ট সময়মতো টিকাদান বা ইপিআই কার্যক্রমের বিকল্প নেই। জন্মের পর নির্ধারিত বয়সে সঠিক টিকা নেওয়া শিশুকে বিভিন্ন ভয়াবহ সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করে এবং তার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।

টিকাদানের সময়সূচি

বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) অনুযায়ী, জন্মের পর থেকে ১৫ মাস বয়সের মধ্যে শিশুকে মোট ১০টি রোগ প্রতিরোধের জন্য টিকা দেওয়া হয়।

 

  • জন্মের পরপরই যক্ষ্মা প্রতিরোধে বিসিজি টিকা দেওয়া হয়।
  • ৬, ১০ ও ১৪ সপ্তাহে, পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা (ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টঙ্কার, হুপিং কাশি, হেপাটাইটিস বি, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জি) এবং ওপিভি (পোলিও) ও পিসিভি (নিউমোনিয়া) দেওয়া হয়। এছাড়া ৬ ও ১৪ সপ্তাহ বয়সে ইনজেকটেবল পোলিও (এফআইপিভি) দেওয়া হয়।
  • ৯ ও ১৫ মাসে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে দুই ডোজ এমআর টিকা দেওয়া হয়।
  • এছাড়া, টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধের জন্য ৯ মাস বয়সে এক ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) দেওয়া হয়।
  • জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা দেওয়া হয়। মূলত পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণির ছাত্রী বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে থাকা ১০–১৪ বছর বয়সী কন্যাশিশুদের জন্য এই টিকা রয়েছে। বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যানসারের মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি। সময়মতো এই টিকা নেওয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় শতভাগ কমানো সম্ভব।
  • প্রজননযোগ্য বয়সী নারীদের (১৫–৪৯ বছর) ধনুষ্টঙ্কার বা টিটেনাস থেকে সুরক্ষার জন্য ৫ ডোজ টিকা দেওয়া হয়। এটি মা ও ভবিষ্যৎ সন্তানের দু’জনকেই প্রাণঘাতী ধনুষ্টঙ্কার থেকে রক্ষা করে।

ডোজ মিস হলে করণীয় ও ঝুঁকি

যদি কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে টিকা নেওয়া না হয়, তবে হতাশ হওয়ার প্রয়োজন নেই। দ্রুত কাছের টিকাদান কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। ডোজ মিস করলে শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ গড়ে উঠতে পারে না এবং সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। মনে রাখতে হবে, দেরি হলেও টিকা নেওয়া না নেওয়ার চেয়ে অনেক বেশি জরুরি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 alokitodesh.com
আইটি সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
Copyright © 2025 | alokitodesh.com | All Rights Reserved.