আইন আদালত ডেস্ক :
বাংলাদেশে খাদ্যে ভেজাল বা ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো ‘নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩’ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী একটি গুরুতর অপরাধ। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী সর্বোচ্চ মৃত্যুদন্ড, যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ১৪ বছরের কারাদন্ড এবং সাথে মোটা অংকের জরিমানার বিধান রয়েছে। এছাড়া ভেজাল উৎপাদন বা বিক্রিতে ২-৫ বছরের কারাদন্ড বা জরিমানা হতে পারে। নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুযায়ী শাস্তির বিধান: ভেজাল খাদ্য উৎপাদন/বিক্রয়: খাদ্যদ্রব্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ (যেমন: ফরমালিন, কারবাইড) মেশালে বা ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, মজুত ও বিক্রির অপরাধে সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড হতে পারে।
গুরুতর অপরাধ: ভেজালের কারণে মৃত্যুর বা গুরুতর ক্ষতির কারণ হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড। অর্থদন্ড: কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত উপযুক্ত পরিমাণ অর্থদণ্ড বা জরিমানা আরোপ করতে পারে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী: খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণ বা ক্ষতিকর কেমিক্যাল মেশানোর অপরাধে কারাদন্ড এবং জরিমানা উভয়ই হতে পারে। অন্যান্য আইন: পেনাল কোড (১৮৬০) এর ২৭২-২৭৩ ধারা অনুযায়ী ভেজাল খাদ্য বা পানীয় বিক্রির জন্য ৬ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা জরিমানা হতে পারে। ভেজাল রোধে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে।
Leave a Reply