বাংলাদেশ | বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮ | ১০ আশ্বিন,১৪২৫

রাজধানী


Share This With Your Friends


পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্ধ চেয়ে দুই মেযরের চিঠি

newsImg
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানী ঢাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে পাঁচ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ চেয়ে চিঠি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই মেয়র। নাগরিক সুবিধার আওতা বাড়ায় ব্যয় সঙ্কুলান করতে এ অর্থ বরাদ্দ চেয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক চেয়েছেন দুই হাজার কোটি টাকা। এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন চেয়েছেন তিন হাজার কোটি টাকা।
অর্থমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন একটি নাগরিক সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। একজন নাগরিকের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সব ধরনের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা সিটি করপোরেশনের মূল দায়িত্ব। যানজটমুক্ত, পরিবেশবান্ধব, পরিচ্ছন্ন বায়ু, বসবাসযোগ্য এবং আধুনিক উন্নত নগর গঠন এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এসব প্রতিজ্ঞা বাস্তবায়নে ডিএনসিসি ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রকল্প/কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। অনেক প্রকল্প ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং অনেকটি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নিজস্ব রাজস্ব এবং বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দ দিয়ে উন্নত নাগরিক সেবা প্রদান করা সম্ভব হয় না। মহাসড়ক, সড়ক নর্দমা, ভাঙা স্থান মেরামত-সংস্কার করা, পরিচ্ছন্ন রাখা, দেয়াল লিখন মোছা ও সর্বত্র সড়কবাতি নিশ্চিত করা ব্যয়বহুল কর্মযজ্ঞ। এ বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পাদনের জন্য প্রাপ্ত অর্থ খুবই অপ্রতুল। আর্থিক দৈন্যের কারণে নাগরিক সেবার মান নাগরিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে না। নগরবাসীর জন্য উন্নত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা এবং সরকার প্রতিশ্রুত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা অব্যাহত রাখার স্বার্থে ডিএনসিসির অনুকূলে দুই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন ডিএনসিসি’র মেয়র আনিসুল হক। অনুরূপ অপর এক চিঠিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন তার এলাকার উন্নয়নে তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছেন। ডিএসসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশন একটি নাগরিক সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সিটি করপোরেশনের নিজস্ব রাজস্ব এবং বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে সরকার থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দ দ্বারা উন্নত নাগরিক সেবা প্রদান করা সম্ভব হয় না। ডিএসসিসি বর্ণিত কর আদায়ের প্রকৃত হকদার ও আইনগত ক্ষমতাপ্রাপ্ত। কিন্তু এ করারোপের জন্য প্রবিধানমালা প্রণয়ন অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রবিধানমালা প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত ডিএনসিসি এলাকা থেকে সরকার কর্তৃক আদায়কৃত রাজস্ব বা করের একটি ‘সন্তোষজনক’ অংশ বা সরকার থেকে ‘বিশেষ বা থোক বরাদ্দ’ প্রদান করা হলে নগরবাসীকে কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদান ও সরকার প্রতিশ্রুত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখা সম্ভব।
এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়িত হচ্ছে। এজন্য বরাদ্দ চাওয়া বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ইতিবাচক মনোভাব দেখানো হয়েছে। তবে সেটা চাহিদা মাফিক পাঁচ হাজার কোটি টাকা নাও হতে পারে। - See more at: http://www.shokalerkhobor24.com/details.php?id=53052#sthash.6ePsu06a.dpuf
খবরটি সংগ্রহ করেনঃ- Desk
এই খবরটি মোট ( 287 ) বার পড়া হয়েছে।
add

Share This With Your Friends